গাজীপুরের টঙ্গীর প্যাকেজিং কারখানা টাম্পাকো ফয়েলসের ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

আজ সোমবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের দুই দিন পর ঘটনাস্থল থেকে এই দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে রবিবার আরও চারজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। এনিয়ে আগুনের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ৩১।

এ ছাড়া গতকাল রবিবার পর্যন্ত ১০ জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, ধসে পড়া ভবনের ভেতরে তাঁরা সাত-আটটি দেহাবশেষ দেখেছেন, যেগুলো এখনো উদ্ধার করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন অপারেটর মো. সোহাগ বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত শনিবার ভোর ৬টার দিকে টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরীর টাম্পাকো ফয়েলস কারখানায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর ভবন ধসে পড়ে এবং আগুন ধরে যায়। প্রথম দিন ২৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। আহত হন অর্ধশতাধিক। ঘটনার ৩৬ ঘণ্টা পর গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে কারখানার ভেতরে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে কারখানা কমপ্লেক্সের চারটি ভবনের তিনটিই পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। পাঁচতলা ভবনটির একেকটি তলা আরেকটির ওপর ধসে পড়েছে।

গতকাল বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) মোশারফ হুসেইন বলেন, আগুন নির্বাপণ করা গেছে। আমরা ডিফেন্সিভ ওয়েতে কাজ করছি। ফলে আগুন নেভাতে সময় লেগেছে। এখন ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। তবে গতকাল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিন তলার ধসে পড়া অংশে আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে। সন্ধ্যা ৬টার পর অবশ্য আর আগুন দেখা যায়নি।

গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। আজ সোমবার সকাল থেকে সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজে নামবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল।

এম এ