দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) দুই ছাত্রী ও এক কর্মচারী নিহতের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২ টা ১০ মিনিট পর্যন্ত তারা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে তাদেরকে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার প্রতিবাদে ও নিরাপদ সরকের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। তারা ঘাতক ট্রাক্টরের চালক ও বাসের চালকের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।
অবরোধে মহাসড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়ার কারনে রাস্তার উভয় পাশে যানবহনের দীর্ঘ লাইন হতে থাকে।
উলেখ্য গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রহিমা খাতুন (২৪) ও তার সহপাঠী কামরুল ইসলাম (২৪) অটোরিকশা করে ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময় শহরের বটতলী এলাকায় একটি ট্রাক্টর অটোরিকশাটিকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রহিমা মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় কামরুলকে স্থানীয় লোকজন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নিহত ছাত্রী রহিমা খাতুন ও একই দুর্ঘটনায় আহত তার সহপাঠী কামরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড প্রসেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।
অপরদিকে একই দিনে রাত সাড়ে ৮টার সময় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা পিকনিক শেষে স্বপ্নপুরী থেকে ফিরছিলেন। এ সময় বাসের হেলপার টিটু (৩৬) দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের সামনে নির্মাণাধীন রাস্তার গর্ত পারাপারের জন্য বাস থেকে নেমে সিগনাল দিচ্ছিলের। এসময় তিনি পা পিছলে রাস্তার উপরে পড়ে গেলে বাসটি তার মাথার উপর দিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। টিটু হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ছিলেন।
এআই





