ইসলামের দুশমনদের পৃষ্ঠপোকতায় কতিপয় ভ্রান্ত, কুশিক্ষিত, অজ্ঞ ও গোমরাহ গোষ্ঠিকে সন্ত্রাসী-জঙ্গিবাদি জঘন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সকলকে স্পষ্টরূপেই মনে রাখতে হবে, কোনো মুসলমান সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদের ন্যায় বর্বর কাজে জড়িত হতে পারে না।

রবিবার বাদ জোহর সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদ কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠকে নেতৃবৃন্দ একথা বলেন।

আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেছেন- “তোমরা দুনিয়ার বুকে ফেতনা-ফ্যাসাদ, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করো না।” আল কুরআন।

মহানবী (সা.) বলেছেন- “একমাত্র মুসলমান তিনিই যার হাতে ও জবান থেকে অন্য সকল মানুষ নিরাপদ থাকে।” বুখারী ও মুসলিম। তাই ইসলামের সুমহান শিক্ষা সমূহ জনগণের মাঝে সঠিকভাবে পরিস্কার করা উলামা মাশায়েখদের ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব।

নেতৃবৃন্দ বলেন- সকল ধরনের সন্ত্রাস, জঙ্গিতৎপরতা, নৃশংসতা, বোমাবাজী, প্রাণহরণ, বর্বর অসভ্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সারাদেশে প্রচণ্ড বন্যায় বানবাসী দুর্গত জনগোষ্ঠীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। এহেন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা বিত্তবান ও সামর্থবানদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করছি।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রধান, আমীরে শরীয়ত, হাফেজ্জী হুজুরের ছোট ছেলে হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহর সভাপতিত্বে বৈঠকে বক্তব্য রাখেন- মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন পরিষদ আমীর মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, হক্কানী পীর মাশায়েখ পরিষদের সেক্রেটারি মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী, জাতীয় ইমাম পরিষদের সভাপতি মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা লুৎফর রহমান, জাতীয় খতীব পরিষদের আমীর মাওলানা মাসউদুর রহমান, মীরের সরাই পীর সাহেব মাওলানা আব্দুল মোমেন নাসেরী, টেকেরহাটের পীর সাহেব মাওলানা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারী, মুফতি ড. মিজানুর রহমান কাসেমী প্রমুখ।

এমআইএস