নওগাঁর রাণীনগরে (১৩) বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার উপজেলার বড়গাছা ইউনিয়নের বড়গাছা গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অপরদিকে বুধবার থেকে গ্রামের একটি মহল বিষয়টিকে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। সুবিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ওই গরীব প্রতিবন্ধি মেয়ে ও তার পরিবারটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার উপজেলার বড়গাছা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মো: আইনাল ইসলাম (৫০) একই গ্রামের বাজারের পাশের জৈনক ব্যক্তির (১৩) বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী মেয়েকে রাস্তার ধারে বাগানে একা পাওয়ার সুবাদে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় মেয়ের মা দেখতে পেয়ে দৌড়ে এসে মেয়েকে রক্ষা করে।

মেয়ের মা লম্পট ভ্যানচালক আইনালকে মারপিট করতে লাগলে আইনাল কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাটি গ্রামে জানাজানি হয়। এঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

বুধবার থেকে ওই গ্রামের একটি প্রভাবশালী মহল মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জোর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। মেয়ের পরিবার গরীব অসহায় বলে কোন বিচার পাচ্ছে না। এলাকাবাসী ও মেয়ের পরিবার ওই লম্পটের দৃষ্টান্তর মূলক শাস্তি চায়।

প্রতিবন্ধী মেয়ের মা জানান, এদিন তিনি বাড়ির পাশে মাঠে গরু আনতে গেলে মেয়েকে একা পেয়ে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা লম্পট আইনাল রাস্তার ধারে বাগানে মেয়েকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। আমি দেখতে পেয়ে দৌড়ে এসে আমার মেয়েকে উদ্ধার করি। এসময় লম্পট আইনাল কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি গ্রামের লোকজনকে জানালেও আমরা গরীব অসহায় হওয়ার কারণে কারো কাছে এই ঘটনার সুবিচার পাচ্ছি না। আমি এই লম্পটের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: শফিউল আলম শফু বলেন, এই বিষয়ে আমার কাছে এখনো পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এব্যাপারে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এই ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মো: আওরঙ্গজেব হোসেন রাব্বী/এসএম