জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক প্রবীর সিকদার। ফরিদপুর কারাগার থেকে বুধবার দুপুর ২টায় তিনি ছাড়া পান।

এর আগে বুধবার ফরিদপুরের ১নং আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক হামিদুল ইসলাম তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের পক্ষের আইনজীবী আলী আশরাফ নান্নু জামিনের কপি নিয়ে জেলগেটে যান। এরপর যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর এই সাংবাদিককে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার ফরিদপুরে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় প্রবীর সিকদারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন একই আদালত। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ।

প্রবীর সিকদারের পক্ষে তার আইনজীবী আলী আশরাফ নান্নু রিমান্ড আবেদনের বিরোধিতা করে জামিন চান। জামিনের পক্ষে প্রবীর সিকদার নিজেও আদালতে বক্তব্য পেশ করেন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের বিরুদ্ধে রবিবার ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে মামলা করেন পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা শাখার উপদেষ্টা ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডভোকে স্বপন কুমার পাল।

রাজধানীর ইন্দিরা রোডের নিজ পত্রিকা কার্যালয় থেকে রবিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে প্রবীর সিকদারকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ। এর পর সোমবার ভোরে সেখান থেকে তাকে ফরিদপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রবীর সিকদারকে বিকেলে ফরিদপুরের ১ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। আদালত প্রবীর সিকদারকে জেলহাজতে পাঠান।

জেআই