আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জমে উঠেছে বগুড়ার পশুর হাট। ইতিমধ্যে জেলার ৭৫টি পশুর হাটে চলছে কেনা-বেচা। হাটগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হাটে জাল টাকা শনাক্তে এবং চাঁদাবাজি ঠেকাতে কাজ করছে পুলিশ।
এবার হাটে পশুর আমদানি বেশি হওয়ায় সর্বত্রই গরু ছাগলের দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। গরু ব্যবসায়ীরা জানান, এবার ভারত থেকে অনেক গরু দেশে আনা হয়েছে। এ কারণে গরু বিক্রি নিয়ে বেশ আতঙ্কের মধ্যে ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, বগুড়ার মহাস্থান, বুড়িগঞ্জ, সাবগ্রাম, কালিতলা হাট, ডাকুমারা, জয় বাংলা হাট, পল্লী মঙ্গল হাট, পুনট, উথলী, মোকামতলা, চন্ডিহারা, চাদঁমুহা, শিবগঞ্জ, গুজিয়া হাট, কিচক, আটমুল, ভাইয়েরপুকুর, দাড়িদহ, পানিতলা, পিরব, নামুজা, জামুরহাটসহ মোট ৭৫টি হাট বসেছে।
হাট শুরু হওয়ার পর কয়েকদিনে বগুড়া বৃহত্তম মহাস্থান হাট, সাবগ্রাম হাট, কালিতলা হাট, বুড়িগঞ্জ হাট ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্রেতার চাহিদা চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে ছাগল কেনা। তবে ছয় হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যেও ছাগল কিনতে দেখা গেছে।
অন্যদিকে, ১৮ হাজার টাকা থেকে ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের গরুর ক্রেতা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ৫০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকার গরু বাজারে উঠেছে প্রচুর।
মহাস্থান হাট কমিটি সূত্রে জানা যায়, ক্রেতাদের সুবিধার্থে ঈদের দিন পর্যন্ত হাট থাকবে।
কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদার মামুনুর রশিদ জানান, গত বছরের তুলনায় এবার অধিক সংখ্যক পশু আমদানি হয়েছে। সেই তুলনায় হাটে ক্রেতা কম। ফলে দাম কিছুটা কম। তবে ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে পশুর দাম ততই বাড়ছে।
বগুড়া পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক পিপিএম জানান, হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের নির্বিঘ্নে পশু কেনা-বেচার জন্য জেলার সবকটি গরু-ছাগলের হাটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
জেআই





