শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে সোমবার (২৫ মে) এক দিনেই প্রাণ গেছে ২৮ জনের।

শনিবার রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন পথে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করে। এদিন কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, যশোর, ফরিদপুর ও গাজীপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত হন।

সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটে কুষ্টিয়ার খোকসায়। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে বাস ও ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষে বাস খাদে পড়ে যায়। এতে চারজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। যশোর সদর উপজেলার চাউলিয়া এলাকায় ইজিবাইক, ভ্যান ও কাভার্ডভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মারা যান তিনজন।

এছাড়া ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বাসচাপায় এক পথচারী এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রাক-পিকআপ ভ্যান সংঘর্ষে একজন নিহত হন।

রোববার (২৪ মে) দেশের বিভিন্ন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত আটজন নিহত হন। ঈদযাত্রার চাপ ও অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে মহাসড়কগুলোতে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়তে থাকে।

ঈদযাত্রার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে সোমবার (২৫ মে)। এদিন দেশের অন্তত আটটি জেলায় পৃথক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হন।

সবচেয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হন। জানা গেছে, নিহতদের অনেকে বাসভাড়া বাঁচাতে ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিলেন।

বগুড়ায় পৃথক দুই দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হন। কিশোরগঞ্জে মোটরসাইকেলে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের ছয় বছরের সন্তানসহ তিনজন প্রাণ হারান।

সিরাজগঞ্জে সিএনজি ও ট্রাকের পৃথক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হন। মানিকগঞ্জে সিএনজি ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক তরুণের মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জে বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে এক মাইক্রোবাস চালক নিহত হন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। এছাড়া নোয়াখালীতে মালবাহী নসিমন উল্টে এক খামারির মৃত্যু হয়েছে।

এস