পিরোজপুরের ইন্দুৃরকানী উপজেলার রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা আকাশের নিচে শিক্ষার্থীরা পাঠদান করছে। ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে অবস্থিত এ বিদ্যালয়টি, ১৯৪২ সালে রাচন্দ্রপুর ১৫ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়।

বিদ্যালয়টি প্রায় ১৫ বছর যাবত শতভাগ পাশে সাফল্য প্রতি বছরই পাচ্ছে বৃত্তি । উপজেলার প্রকৌশলীর বিভাগ থেকে ১৯৯৮ সালে নতুন ভবনটি নির্মানের করে।পরের বছর থেকেই ছাদ দিয়ে পানি পড়ে ফলে মাত্র ৬ বছর এ ভবনটি ক্লাস করতে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

তাৎক্ষনিক ভাবে প্রধান শিক্ষক অভিযোগ দিলে আমলে নেয়নি উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর। উপজেলা বিভিন্ন অধিদপ্তরে অভিযোগ করলে ও কোন সমাধান হয়নি। ২০১৩ ইং সালে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত পত্রে বিদ্যালয়ের ভবনটি অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ ও ক্লাশ পাঠদানের নিরাপত্তা নয় এই অবগতি করে উপজেলা প্রকৌশলীকে ।

ছাত্র অভিবাবক তারক চন্দ্র জানায় আমার ছেলেকে এই ঝুকিপূর্ণ বিদ্যালয়ে আর পাঠাবো না। বৃষ্টি আসলেই যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমার ছেলের চাইতে লেখাপড়া বেশি বড় নয়। বাচ্চাকে বাসায় বসে পড়াবো। এছাড়া নন্দিতা রাণী .বিউটিরানী, সবিতা,সিমা রানী হাবিবা বেগম, মনিকারানী নাছিমা বেগম সহ অনেকেই জানায় বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন ধরে জরার্জীন্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

সরকার মেরামতের কোন ভুমিকা নিচ্ছে না এবং নতুন কোন ভবন তৈরী করছেনা। খোলাআকাশের নিচে বাচ্চারা ক্লাস করতে চায়না এখন বাচ্চারা স্কুলে আসতে চায় না ।

এ ব্যাপারে রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিতোষ হালদার জানায় বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ নাজুক ও জরাজীর্ণ কোন মতেই ক্লাস করা সম্ভব হচ্ছে না। বিদ্যালয়টি উপস্থিতিরহার কমে যাচ্ছে। আমরা ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে স্কুল মাঠে কাঠ সংগ্রহ করি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য এই বিদ্যালয় কয়েক বান টিন দিয়েছে তাহা থেকে ঘর তৈরী করে বাচ্চাদের লেখা পড়ার সুযোগ করা দেয়া হয়েছে।

এর আগে তাবু টানিয়ে কোন মতে ক্লাস নিচ্ছি। উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সকিনা বেগম জানান, ইন্দুরকানি উপজেলা প্রায় ১৫/১৬টি স্কুল ভবনর্টি ঝুকিপূর্ণ রয়েছে।

তার মধ্যে রাচন্দ্রপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সম্পূর্ন ঝূকিপূর্ন । বিদ্যালয়টি ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে টেন্ডার হবে । ঝূকিপূর্ণ বিদ্যালয় গুলো সাইক্লোন সেল্টার কাম প্রাইমারী বিল্ডিং হলে এলাকার বিভিন্ন দূযোর্গের থেকে রেহাই পাবে এবং বাচ্চাদের লেখা পড়ায় ভাল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

কেফায়েত/জেড