টানা দুই দিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাঁকখালী নদীসহ কয়েকটি খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় এবং বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে কক্সবাজার জেলার শতাধিক গ্রাম। এ ছাড়া পাহাড়ি মাটি রাস্তায় এসে জামাট বাধায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক ও মেরিনড্রাইভ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এখনো যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।

জোয়ারের ফলে জেলার আট উপজেলার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। পানির নিচে তলিয়ে গেছে শতশত একর ফসলি জমি ও চিংড়ি ঘের। চকরিয়া, কুতুবদিয়া ও রামু উপজেলার অধিকাংশ পানিবন্দি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্র ও প্রধান সড়কে আশ্রয় নিয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সাগর উত্তাল থাকার কারণে তিন নম্বর সর্তকতা সংকেত বলবৎ রয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। আরো ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন  জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে জলাবদ্ধাতার সৃষ্টি হওয়ায় ওই সড়কে আপাতত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ইআর