কুয়াকাটায় লিমা বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূর রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) কুয়াকাটা সংলগ্ন লতাচাপলী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া গ্রামের শহীদ হাওলাদারের বাড়িতে। লিমা বেগমকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে রেখে শ্বশুড়বাড়ির লোকজন পালিয়েছে। যার ফলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, চার বছর আগে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ হলদিবাড়িয়া গ্রামের ফারুক সরদারের বড় মেয়ের সাথে লতাচাপলী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে তুহিনের সাথে বিয়ে হয়। অপ্রাপ্ত বয়সে লিমার বিয়ে হওয়ায় শারীরিক অবস্থার উন্নতী হয়নি। শারীরিকভাবে অসুস্থ্য থাকার পর এক বছর আগে একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয় ওই দম্পতির ঘরে। এরপর থেকেই দাম্পত্য বিষয়ে শুরু হয় লিমার ওপরে স্বামীসহ শ্বশুড় বাড়ির অন্যান্যদের নির্যাতন।

এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে পূর্বের ন্যায় নির্যাতন চালানো হয়। এরপর বেলা দেড়টার দিকে নিহতের শ্বশুড় শহিদ হাওলাদার এবং স্বামী তুহিন হাওলাদার লিমাকে মুমূর্ষু অবস্থায় কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসেন। অবস্থা বেগতিক দেখে তারা হাসপাতাল চত্বর থেকে পালিয়ে যায়। হতভাগ্য গৃহবধূর পিত্রালয় থেকে খবর পেয়ে সকলে ছুটে এসে কর্তব্যরত চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করেন। কিন্তু লিমাকে তারা বাঁচিয়ে রাখতে পারেননি।

এব্যাপারে কলাপাড়া থানার ওসি জি.এম শাহনেওয়াজ জানায়, শেষ বিকালের দিকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমআইএস