কক্সবাজারের উখিয়া বন রেঞ্জ অফিসের খোলা মাঠে মূল্যবান কাঠ পঁচে নষ্ট হচ্ছে। এতে সরকার প্রচুর পরিমাণ রাজস্ব হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

রক্ষিত, সংরক্ষিত ও সামাজিক বনায়নের লুঠপাট করা এসব মূল্যবান কাঠ সামগ্রী বনর্কমীরা বিভিন্ন সময়ে জব্দ করলেও সময় মত নিলামে বিক্রি না করায় এসব কাঠের গুণগত মান নষ্ট হয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বনরেঞ্জের কতিপয় কর্মচারী সদ্য জব্দকৃত কাঠের অধিকাংশ চোরাই পথে বিক্রি করে নষ্ট হয়ে যাওয়া কাঠগুলো মওজুদ রাখে কাগজে কলমে জবাবদিহিতা থেকে পার পেয়ে যাওয়ার কুমানসে। এভাবে রেঞ্জ অফিসের আনাছে কানাছে অসংখ্য মূল্যবান কাঠ রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই।

সোমবার উখিয়া বনরেঞ্জ অফিসে গিয়ে দেখা যায়, খোলা আকাশে নিচে পড়ে রয়েছে মূল্যবান বিভিন্ন প্রজাতির জব্দকৃত চোরাই কাঠ। রেঞ্জ অফিসের নিচে দেখা গেছে এক টঙ ঘর। এখানেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা অসংখ্য কাঠের রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

রেঞ্জ অফিসের পাশেই বনভূমির জায়গাতে বসবাসরত বেশ কয়েকজন তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রাতের বেলায় এখানে গাছ বিক্রি হয়।

সদর বনবিট কর্মকর্তা মোজাহেরুল ইসলাম জানান, তিনি এ অফিসে বদলি হয়ে আসার পর থেকে কাঠগুলো যেভাবে ছিল, এখনও সেভাবে আছে। তিনি বলেন, জব্দকৃত অনেক কাঠ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে নিলামে বিক্রি হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম তাচ্ছিল্য করে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি সদর বিট কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালন করছেন। পঁচে গলে নষ্ট হয়ে যাওয়া গাছের ব্যাপারে তিনি কোন প্রকার মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

 

এমআইএস।