সিলেটে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত ও চুরিকাঘাতের ঘটনায় ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার জালালাবাদ সেনানিবাসে কর্মরত মেজর আবদুল আজিজ কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন। এদিন বিকেলেই নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে মহানগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান খান জুয়েল, কর্মী হাবিবুর রহমান পাবেল, সাইদুল ইসলাম ও মাকসুদ আহমেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল বাসিত রুম্মান জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক। ঘটনার দিন শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগ। সে সময় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ওয়ার্ড পর্যায়ে কে কোন দায়িত্বে আছেন, সেটা তাঁর স্মরণে নেই বলে জানান।
ঘটনার সঙ্গে গ্রেপ্তার চারজনের সম্পৃক্ততা না পাওয়া গেলে তাঁদের মুক্তি দাবি করেন ছাত্রলীগ নেতা।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহাম্মদ মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া চারজন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
মেজর আজিজের মামলার বরাত দিয়ে ওসি সোহেল আরো বলেন, গত ৬ এপ্রিল বিকেলে নগরীর মীরের ময়দান কেওয়াপাড়া পড়শি ১১৯ নম্বর বাসা থেকে প্রাইভেটকারযোগে বের হন মেজর আবদুল আজিজ। এ সময় গাড়িটিকে মোটরসাইকেলে করে অতিক্রম (ওভারটেক) করার চেষ্টা করেন কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। তবে সরু রাস্তায় তাৎক্ষণিকভাবে অতিক্রম করতে না পারায় ক্ষুব্ধ হন তাঁরা। এ সময় মেজর আজিজের গাড়িতে ভাঙচুর চালান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বাধা দিতে গেলে ওই সেনা কর্মকর্তার গলায় ছুরিকাঘাতও করেন তাঁরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় গতকাল দুপুরে কোতোয়ালি থানায় সাত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন মেজর আবদুল আজিজ।
গত ৬ এপ্রিল নগরীর সুবিদবাজারে মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম তুষারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগ নেতাদের অভিযোগ, ছাত্রদল সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালিয়েছে। এ হামলার পর ওই দিন নগরীর বিভিন্ন স্থানে মহড়া দেয় ছাত্রলীগ।
জারিফ





