ফলসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিন বিরোধী অভিযানে ব্যবহৃত যন্ত্র ফরমালডিহাইড মিটার জেড-৩০০ ত্রুটিপূর্ণ বলে আদালতে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ কাউন্সিল ফর সাইন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্সের (বিসিএসআইআর) পক্ষ থেকে সুপ্রীমকোর্টের রেজিস্ট্রার অফিসে দেয়া প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, ফরমালডিহাইড মিটার জেড-৩০০ মেশিনটি বাতাসে কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে পারে। কিন্তু ফলে বা খাদ্যে মেশানো ক্ষতিকর দ্রব্য পরীক্ষার জন্য এটা তৈরি করা হয়নি। এছাড়া যে কোম্পানি এই মেশিনটি তৈরি করেছে, তারা খাদ্যে মেশানো ক্ষতিকর দ্রব্য নির্ণয় করতে পারে না।
সুপ্রীমকোর্টের রেজিস্ট্রার অফিসে সোমবার এই প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয়েছে বলে এ বিষয়ে রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানিয়েছেন।
গত ২১ জুলাই এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি হাবিবুল গনি সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ফরমালিন পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র পরীক্ষা করার আদেশ দেয়।
চার সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ কাউন্সিল ফর সাইন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্সের (বিসিএসআইআর) চেয়ারম্যান, বিএসটিআই-এর মহাপরিচালক ও ন্যাশনাল ফুডস সেফটি ল্যাবরেটরির মহাপরিচালককে ওই যন্ত্র কী কী কাজে ব্যবহৃত হয় তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছিল।
আদালতের আদেশ অনুসারে এই প্রতিবেদন দাখিল করে সংস্থাটি।
একই সঙ্গে এ যন্ত্র দিয়ে ফরমালিন পরীক্ষায় সরকারী কার্যরক্রমকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছিল আদালত।
চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, খাদ্য সচিব, স্বরাস্ট্র সচিব, বিসিএসআইআর’র চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র্যা বের মহাপরিচালক, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদেরকে রুলের জবাব দিতে আদেশ দেয়া হয়েছে।
ওই দিন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ফরমালডিহাইড জি- ৩০০ যন্ত্র দিয়ে ফরমালিন পরীক্ষা অভিযান শুরু করার পর এনিয়ে ব্যবসায়ী মহল ও মিডিয়ায় প্রশ্ন ওঠে। তিনি ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্র দিয়ে ফরমালিন পরীক্ষাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।
বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাধন চন্দ্র দাশ ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম গত ১৩ জুলাই হাইকোর্টে এ রিট দায়ের করেন।
সূত্র: দ্য রিপোর্ট
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





