বাসা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন রাজধানীর কল্যাণপুরের মিজান টাওয়ারের বাসিন্দরা। গত দুই দিনে প্রায় ৩০ টি পরিবার বাসা ছেড়ে চলে গেছেন বলে টাওয়ারটির সিকিউরিটি সূত্রে জানা যায়। টাওয়ারের উপরের সেফটি ট্যাংকে গ্যাস বিস্ফোরণ হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে বাসা ছাড়ছেন বাসিন্দারা।
নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, ‘সবাই চলে যাচ্ছেন। দু-এক দিনের মধ্যে আরো অনেকেই চলে যাবেন বলে জেনেছি।’
মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আট থেকে দশটি পরিবার এক সঙ্গে বাসা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। ভাড়াটিয়াদের মধ্যে সোহেল নামের একজনের সঙ্গে কথা হলে জানা যায়, ‘বাইরে ফুটপাতে ঘুমাবো তবু এই বিল্ডিংয়ে থাকবো না। আমরা এই বিল্ডিংয়ের মালিকের কাছে অগ্রীম টাকা পাই, টাকা পাই বা না পাই তারপরেও চলে যাচ্ছি।’
অন্যদিকে অপর এক ভাড়াটিয়া জানান, ‘কি বলবো আর! কোন মতে একটি ছোট বাসা নিয়ে থাকবো। যতই ঝুকি মুক্ত করুক না কেন এখানে থাকা সম্ভব নয়।’
মিজান টাওয়ার বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজউক (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। যদিও পরে সময় বাড়িয়ে নিয়েছে কমিটি। রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) আবদুল হাইকে আহবায়ক ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন ফারুকীকে সদস্য সচিব করে এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রাজউকের অথরাইজড কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী গোলাম রহমান ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসেন।
দ্বিতীয় দফা বিস্ফোরণের পর রাজউক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ১৪ তলা টাওয়ারটি সিলগালা করে দেয়া হয়। রাজউক, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ধারণা করছে, টাওয়ারের সেপটিক ট্যাংকে আরো গ্যাস জমা হয়ে থাকতে পারে। এতে আবারো বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এমন আশঙ্কা থেকেই টাওয়ারটি সিলগালা করে দেয় রাজউক। কিন্তু এর কিছু সময় পর আবার ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করে রাজউক। তবে রাজউক কর্তৃপক্ষ ভবনটিকে ঝুঁকিমুক্ত ঘোষণা করলেও ভাবনের বাসিন্দারা কোনোভাবেই ভবনটিকে ঝুঁকিমুক্ত মনে করছেন না।
[b]ঢাকা, ৩ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
জাতীয়
মিজান টাওয়ার ছাড়ছেন ভাড়াটিয়ারা
বাসা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন রাজধানীর কল্যাণপুরের মিজান টাওয়ারের বাসিন্দরা। গত দুই দিনে প্রায় ৩০ টি পরিবার বাসা ছেড়ে চলে গেছেন বলে টাওয়ারটির সিকিউরিটি সূত্রে জানা যায়। টাওয়ারের উপরের সেফটি ট্যাংকে গ্যাস বিস্ফোরণ হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে বাসা ছাড়ছেন বাসিন্দারা।





