সিলেটে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে অপহরণের চেষ্টাকালে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ দু’জনকে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
নগরীর জল্লারপাড়ের একটি কলোনিতে মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল (নং-৬৬৫) মনিরুজ্জামান ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
স্থানীয়রা জানান, কনস্টেবল মনিরুজ্জামানসহ ৫/৬ জন লোক গোয়েন্দা পুলিশের পরিচয় দিয়ে জল্লারপাড় কলোনির বাসিন্দা কবিরুল ইসলামকে অপহরণের চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করে কোতোয়ালি থানায় খবর দেন। তবে ঘটনায় জড়িত আরো ৩/৪ জন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
কলোনির তত্ত্বাবধায়ক রিপা বেগম জানান, কিছুদিন আগে ইউসুফ আলী নামে কলোনির বাসিন্দা এক দুধ বিক্রেতাকে এভাবে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যায়। একইভাবে এই চক্রটি মঙ্গলবার কবিরুল ইসলামকে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
আক্রান্ত ইউসুফ আলী জানান, প্রায় সপ্তাহখানেক আগে কনস্টেবল মনিরুজ্জামানসহ তার লোকজন আমাকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় জোর করে তুলে নেয়।
একপর্যায়ে তারা তাকে অপরহরণ করে নগরীর মিরবক্সটুলা ইউমেন্স মেডিকেলেকের পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে নেয়ার পর নির্যাতন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে দুই হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে নিয়ে ছেড়ে দেয়।
একই অভিযোগ করেন ওই এলাকার মঞ্জু মিয়া নামে আরেক ক্ষুদে ব্যবসায়ী।
তিনি বলেন, প্রায় মাস দেড়েক আগে এই চক্রের সদস্যরা আমাকে উঠিয়ে নিয়ে ৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করে ছাড়ে।
অপহরণের ঘটনায় পুলিশ জড়িত থাকায় হয়রানির ভয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেননি বলে জানান।
জড়িত কনস্টেবল পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।
এসএইচ





