ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের তালিকাভুক্ত চিহিৃত সন্ত্রাসীমিন্টু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি ইমরান হোসেন সোনা (৪৫) কে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে।
এতে সন্ত্রাসী সোনা পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়। গুলি বিনিময়ের সময় থানার এসআই আশরাফুল আলম নয়নসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার সুবর্ণসারা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। সোনা সুবর্ণসারা গ্রামের গোলাম মওলার ছেলে।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, তালিকাভুক্ত চিহিৃত সন্ত্রাসী, হত্যা, বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি ইমরান হোসেন সোনা সুবর্ণসারা গ্রামে অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে থানায় এসআই আশরাফুল আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে অভিযান চালান।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসী সোনা তাদের (পুলিশদের) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ৩ রাউন্ড শর্ট গানের গুলি চালায়। এতে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসী সোনা পড়ে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে।
পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়ের সময় থানার এসআই আশরাফুল আলম নয়ন, পুলিশ কনস্টেবল বিপ্লব ও জাহিদ হোসেন আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও আসামি সোনাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, ইমরান হোসেন সোনা উপজেলার সুর্বণাসার গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান মিন্টু হত্যা মামলার ১ নং এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে থানায় অস্ত্র, বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করতে গেলে সে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্ম রক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় সে পায়ে গুলি বিদ্ধ হয়ে আহত হয়। বর্তমানে সোনা পুলিশ হেফাজতে ঝিনাইদহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তিনি আরো জানান, গুলি বিনিময়ের সময় থানার এসআই আশরাফসহ তিন পুলিশ সদস্যও আহত হন। তাদের কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এমআইএস





