গ্রেপ্তারের পর পুলিশ কর্তৃক রাতের আধাঁরে হত্যার উদ্দেশ্যে এক শিবির কর্মীকে গুলি ও অন্য জনের উপর নির্মম নির্যাতনে করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

গণমাধ্যমে এক যৌথ প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, গত ৯ই মার্চ রাত ১টার দিকে দুই শিবির কর্মী ইসলামীয়া কলেজের ছাত্র তানজিদুর রহমান রিপন এবং একই প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি ১ম বর্ষের ছাত্র সবুজ আলীকে ঘুমন্ত অবস্থায় সবার সামনে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ১০ই মার্চ সকালে তাদের সাথে মতিহার থানায় দেখা করে এবং খাবার দেয় তাদের পরিবার। এই গ্রেপ্তারের খবর পুলিশের স্বীকারোক্তিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশ হয়। কিন্তু দুপুরে তাদের পরিবারের সদস্যরা আবার দেখা করতে গেলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে। একই ভাবে সাংবাদিকদের সাথেও প্রথমে গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করার পর পরে অস্বীকার করে।

পুলিশের এমন আচরণে তাদের পরিবার উদ্ধিগ্ন হয়ে ১০ই মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সন্ধান দাবী করে। এত কিছুর পরেও পুলিশ তাদের সন্ধান না দিয়ে উল্টো ১০ মার্চ রাত ৩টায় শিবির কর্মী সবুজ আলীসহ শুভ নামের আরেকজনকে গুলি করে মারাত্মক আহতাবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় এবং অপর শিবির কর্মী তানজিদুর রহমান রিপনকে রাতভর নির্যাতন করে এখনো মতিহার থানায় ফেলে রেখেছে।

নেতৃবৃন্দ হুশিয়ার করে বলেন, পুলিশ যদি কোন বিশেষ গুষ্টির ইশারায় নিজেদেরকে জনগণের প্রতিপক্ষের কাতারে দাঁড় করায় তাহলে জনগণও প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দ্বিধা করবে না।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে গুলি বর্ষণ ও নির্যাতনকারী পুলিশ সদস্যদের বিচার এবং শিবির কর্মী সবুজ আলী ও তানজিদুর রহমান রিপনের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা ও মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

ইআর