বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে ৬ হাজার পণ্য বোঝাই ট্রাক। ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়ে আছে এই ট্রাকগুলি।আমদানি রফতানি বানিজ্যে অব্যবস্থাপনার কারণে এই ট্রাকগুলি আটকে রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বেনাপোল বন্দরের কয়েকটি সংগঠন। সাথে সাথে আগামী ৭ দিনের মধ্য সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোশিয়েশন। 

আজ বুধবার দুপুরে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোশিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সংম্মেলনে এই ঘোষনা দেন নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে বন্দরের অব্যবস্থাপনা র ওপর বক্তব্য রাখেন এসোশিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মফিজুর রহমান সজন।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসোশিয়শনের সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক লতা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, এসোশিয়েশনের সিনিয়র সভাপতি ও আলহাজ্ব নুরুজ্জামান , আলাহাজ্ব খাইরুজ্জামান মধুূ , কামাল উদ্দিন শিমুল, আলহাজ্ব মহসিন মিলন্, ও জামাল হোসেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, বন্দরে জায়গা না থাকায় মালামাল বন্দরের বাইরে রেল লাইনের পাশে গর্তে ফেলে রাখা হচ্ছে যত্রতত্র। বেনাপোল বন্দর দিয়ে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার মালামাল আমদানি হয় এবং বন্দরে থেকে বছরে ৭ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় হলেও বন্দর উন্নয়নে তেমন কোন মাথা ব্যাথা নেই কর্তৃপ ক্ষের। বন্দরে নতুন শেড নির্মান,বাইপাশ সড়ক নির্মান ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ইনটিগ্রেটেড চেকপোস্ট ন্যায় বেনাপোল বন্দরকেও আধুনিকায়নের জোর দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

নেতৃবৃন্দ বলেন দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে বেনাপোল বন্দর সর্ববৃহত স্থল বন্দর হলেও এটি আজো ডিজিটালাইজড করা হয়নি , বসানো হয়নি সিসি ক্যামেরা। বন্দরে নেই বিএসটিআই অফিস। কাস্টমস ও বন্দরে রয়েছে কর্মর্কতা ও কর্মচারী সংকট ফলে ব্যহত হচ্ছে শুল্কায়ন,  পণ্য খালাশেও বিলম্ব ঘটছে।

নাসির/জারিফ