পাবনার চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে উপজেলা আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে পুলিশের লাঠিচার্জে অন্ত:ত ১০ জন আহত হয়েছে।

সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলা ডাকবাংলা চত্ত্বরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরুপ পরিস্থিতিতে জেলা নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা স্থগিত করে দেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ মকবুল হোসেন, পাবনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম সাইদুল হক চুন্নুসহ জেলা আ’লীগের নেতৃবৃন্দ প্রায় ২ ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে ডাক বাংলোর ভিতরে অবস্থান করেন।

জানা গেছে, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডঃ সাখাওয়াত হোসেন সাখো ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক পৌর মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি পরে চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সে সময় ঐ এলাকা রনক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে লাঠিচার্জ করলে সভার লোকজন চারিদিকে ছুটাছুটি করতে থাকে।

আরো জানা গেছে, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল করার উদ্দেশে বিশেষ বর্ধিত সভায় এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতা কর্মীরা সমবেত হন ডাকবাংলো চত্বরে। জেলা নেতৃবৃন্দ ডাকবাংলো চত্বরে পৌছার পর পৌনে ১ টার দিক থেকে উভয় গ্রুপের নেতা কর্মীরা বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে।

দুপুর ২টার দিকে সাখো ও দুলালু গ্রুপের মধ্যে হাতা-হাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়িতে ঘটনায় সংঘর্ষ বেঁধে যায়। জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এ সময় ডাক বাংলোর ভিতরে অবরুদ্ধ ছিলেন।

চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন সাখো জানান, হট্টগোলের কারণে বর্ধিত সভা স্থগিত করা হয়েছে। আগামী বুধবার চাটমোহরের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে পাবনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হবে।

জেআই