হবিগঞ্জের বাহুবলে নারী সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। উপজেলার মীরপুর পয়েন্টে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আহত কেয়া চৌধুরীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বাহুবল উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তারা মিয়াকে অভিযুক্ত করেছেন কেয়া চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, আমি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপহার নিয়ে সুবিধাবঞ্চিত বেদে লোকজনের কাছে এসেছিলাম।জুয়াড়ি তারা মিয়া ও সাহেদের নেতৃত্বে উচ্ছৃঙ্খল কর্মীরা আমার ওপর হামলা করে, আমার মঞ্চ থেকে মাইক খুলে নিয়ে যায়।
তিনি জনগণের কাছে এর বিচার দিয়ে বলেন, আপনারাই বলুন আমার কি অপরাধ। কেন এরা আমাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বাধা দিচ্ছে।
প্রত্যক্ষদশী সূত্র জানায়, গতকাল বিকালে বাহুবল উপজেলার মীরপুর পয়েন্টে সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক স্থানীয় বেদে সম্প্রদায়ের মধ্যে টাকা বিতরণ এবং একটি পাবলিক টয়লেট স্থাপনের জন্য ওই এলাকায় যান সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠান চলাকালে যুবলীগ সভাপতি তারা মিয়ার গাড়িচালক ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করছিল। রহস্যজনক ওই ভিডিও জব্দ করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে যুবলীগ সভাপতি তারা মিয়ার লোকজন বেদে সম্প্রদায়কে নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় এমপি কেয়া চৌধুরী অজ্ঞান হয়ে পড়েন। প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তিনি ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। আহতাবস্থায় তাকে সিলেট প্রেরণ করা হয়। রাত সাড়ে ৮টায় সংসদ সদস্য কেয়া চৌধুরী ফেসবুক লাইভে ঘটনার জন্য যুবলীগ সভাপতি তারা মিয়ার লোকজনকে অভিযুক্ত করেন।
এমবি





