জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যেস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৩২ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ। তবে গড় মূল্যস্ফীতি কমেছে। এ হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এসব তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক আব্দুল ওয়াজেদ এবং তথ্য ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা।
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য কমে যাওয়া এবং দেশে মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকায় গড় মূল্যস্ফীতি কমেছে।
গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টে মাসিক ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।
শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৮৭ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।
এএইচ





