পবিত্র ঈদুল আযহার কোরবানির চামড়ার বাজারে ধস প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, পশুর চামড়ার দরপতনের ‘খেলায় মেতে উঠাছে একটি চক্র’। এই চক্রটি ধরতে সরকার কাজ করছে।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় তিনি একথা জানান।
ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। কিন্তু সেই হিসেবে ট্যানারির সংখ্যা বাড়েনি। এই সুযোগ নিয়ে একটি অসাধু চক্র এবার কোরবানির পশুর চামড়ার দরপতনের খেলায় নেমেছে।’
তিনি বলেন, ‘চামড়ার দরপতনের খেলায় মেতে ওঠা ওই চক্রকে খুঁজে বের করতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার।’
বাংলাদেশে চামড়ার মোট চাহিদার বড় অংশই আসে কোরবানির পশু থেকে। এবার ঈদের দিন থেকেই সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে কম দামে চামড়া কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ আসতে থাকে।
আড়তদাররা চামড়া কেনা বন্ধ রাখলে সঙ্কট মারাত্মক আকার ধারণ করে। বিক্ষুব্ধ মৌসুমী ব্যবসায়ীরা অনেক চামড়া সড়কে ফেলে দেন। চামড়া শিল্প ধ্বংস করতে সরকার পরিকল্পিতভাবে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করে কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ আসে বিএনপির কাছ থেকে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব পাওয়ার পর অনেকগুলো পাটকল চালু করেছিল। এমনকি পাটকলের মালিকানার অংশ শ্রমিকদের হাতে দেয়া হয়েছিল। আর মির্জা ফখরুল নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে নিজের মিথ্যা বলার রেকর্ড নিজেই ভাঙছেন।
এসময় তিনি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে চামড়া শিল্পে রফতানি বাড়ার একটি চিত্র তুলে ধরেন। বলেন, ‘বর্তমান চামড়ার দরপতনের জন্য শুধু একটি চক্রই দায়ী। তাদের খুঁজে বের করছে সরকার।’
এবার মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ন্যায্য দাম না পেয়ে লক্ষাধিক পিস পশুর চামড়া ফেলে দেয়। যার অধিকাংশই মাটির নিচে চাপা দেয়া হয়। কিছু ভাসিয়ে দেয়া হয় নদীতে। রাস্তায় ফেলে যাওয়া চামড়া পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে কোথাও কোথাও।
আড়তদাররা চামড়া কেনা বন্ধ রাখলে সঙ্কট মারাত্মক আকার ধারণ করে। বিক্ষুব্ধ মৌসুমী ব্যবসায়ীরা অনেক চামড়া সড়কে ফেলে দেন।
এএস





