কুমিল্লায় আদালতে বিচারকের সামনে এজলাসের খাস কামরায় আসামি ফারুখকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

ঘটনার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা বাঙ্গরা থানার এএসআই ফিরোজ বাদী হয়ে হত্যাকারী হাসানকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন জানান, মামলায় শুধুমাত্র হাসানকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলার বাদী হিসেবে আছেন বাঙ্গরা থানার এএসআই ফিরোজ।

উল্লেখ্য, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফাতেমা ফেরদৌসের এজলাসের খাস কামরায় ছুরিকাঘাত করে ফারুক ( ২৮) নামের এক যুবককে হত্যা করে আসামি হাসান।

গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার ৩নং আমলি আদালতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফারুক মনোহরগঞ্জ উপজেলার অহিদুর রহমানের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৬ আগস্টের এক হত্যা মামলার আসামি ছিলেন ফারুক ও হাসান। সোমবার জামিনে থেকে ওই মামলায় হাজিরা দিতে আসেন তাঁরা। এ সময় ফারুক ও হাসানের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাসান কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের তৃতীয় তলায় ছুরি নিয়ে ধাওয়া করেন ফারুককে। ফারুক আত্মরক্ষার্থে আদালতের এজলাস কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে তাঁকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। তখন আদালতের লোকজন হাসানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ফারুককে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে সালাহ উদ্দিন বলেন, মামাতো-ফুপাতো ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেড