হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব এবং পবিত্র আশুরা উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মহনগর পুলিশের তিন পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি থাকবে বিজিবি মোতায়ন। এমনটিই বললেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব এবং পবিত্র আশুরায় নিরাপত্তা প্রদান উপলক্ষে রবিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দূর্গাপূজা উপলক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে তিন পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। পূজার শুরুর সময়, পূজা চলাকালীন এবং প্রতিমা বিসর্জন দেওয়ার সময় পর্যন্ত।
পূজা ও পবিত্র আশুরা এক সময় হওয়ার কারণে অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্যে পর্যাপ্ত বিজিবি মোতায়েন থাকবে।
কমিশনার বলেন, অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সমন্বয় করে আমাদের পুলিশ সদস্যরা পোশাকে এবং সাদা পোশাকে নিরাপত্তা দিবে।
তাছাড়া হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টিভ থাকবে। যার দ্বারা পূজা মন্ডপে প্রবেশকারী সকলকে সার্স করে ঢুকানো হবে এবং ঢাকেশ্বরী পুজা মন্ডপ এবং রামকৃঞ্ন মিশনে পুলিশ কন্ট্রোল রুম থাকবে।
তিনি আরো বলেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদানের জন্যে আমরা স্থানীয় গণ্যমান্যদের সাথে আলোচনা করে বিভিন্ন তথ্য আদান প্রদান করা হবে।
তারা তাদের নিজস্ব সেচ্ছাসেবকও প্রদান করবে। এছাড়া পূজা উদযাপন কমিটি এবং আমাদের সমন্বয়ে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা থাকবে।
প্রতিমা বিসর্জন শোভাযাত্রা উপলাক্ষে কমিশনার বলেন, যেহেতু শুক্রবার প্রতিমা বিসর্জনের দিন সেহেতু ঢাকা শহরের সকল শোভাযাত্রা সকাল দশটা থেকে সাড়ে এগারটার মধ্যে শেষ করতে হবে।
কারণ ওই দিন রাস্তাঘাটে মানুষ জুম্মার নামাজের জন্য দাড়িয়ে যাবে। সাড়ে এগারটার পরে যদি কোন শোভাযাত্রা আসে তাহলে সেটা থামিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া সকল প্রতীমা বিসর্জন সন্ধ্যার আগেই সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি বলেন, পূজা উপলক্ষে ঢাকা শহরে ছয় হাজার ৮৬৩ জন পুলিশ সদস্য এবং আশুরা উপলক্ষে দু’হাজার ৫০০ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে।
আশুরা শোভাযাত্রা সম্পর্কে কমিশনার বলেন, তাজিয়া মিছিল মোহাম্মাদপুর, ধানমন্ডি, মিরপুর এবং পল্টন এলাকাসহ কয়েকটি এলাকা থেকে বের হবে। আমরা আশুরা শোভাযাত্রার সামনে এবং পিছনে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলেও জানান।
এছাড়া ট্রাফিক নিয়োন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে।
এমআর/এসএইচ





