মাদারীপুর সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে ‘মোয়াজ্জেম বাহিনী’র প্রধান মোয়াজ্জেম মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যার হুমকি ও নারী নির্যাতন’সহ থানায় ৭টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (০৯ মার্চ) রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেলে নেওয়ার পথে মোয়াজ্জেম মারা যান বলে জানায় পুলিশ।
মাদারীপুর থানার ওসি কামরুল হাসান জানান, সদর উপজেলার ঝাউদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মনদী গ্রামের মোয়াজ্জেম মোল্লাকে শনিবার রাত ১২ টার দিকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে আহত করে।
নিহত মোয়াজ্জেম মোল্লার বাড়ি ওই এলাকায়।
পরে স্থানীয়রা মাদারীপুর সদর হাসাপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোয়াজ্জেম মোল্লাকে ফরিদপুর মেডিকেলে পাঠালে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওসি কামরুল হাসান বলেন, “এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে সাত মামলার আসামি মোয়াজ্জেমকে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।” পরে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মোয়াজ্জেম মোল্লার বিরুদ্ধে সদর থানায় বিভিন্ন ধরনের ৭টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
‘মোয়াজ্জেম বাহিনী’র দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে ছিলো এলাকার মানুষের জীবন
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইঊনিয়নে মোয়াজ্জেম মোল্লা, ফারুক মোল্লা ও কালাম কাজী গংদের বিরুদ্ধে এলাকায় ভুমিদস্যু হিসাবে জোরপুর্বক অন্যের জমি দখল, হত্যার হুমকি ও নারী নির্যাতনের একাধিক মামলা ছিলো। এদের ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। জীবননাশের আশংকায় অনেকে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনও করে।
মাদ্রায় ২০১৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর আজিজুল হক চৌকিদারকে সর্বহারা পাটির সদস্যরা গুলি করে হত্যা করলে পুলিশ তদন্ত করে মোয়াজ্জেম মোল্লার সম্পৃক্ততা পেয়ে আদালতে তার বিরদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে। এই মামলায় জেল খেটে জামিনে বের হয়েই আবারও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যায়।
এমবি





