ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য এবার রাজধানীতে ১টি স্থায়ী হাট ছাড়াও বসছে ২২টি অস্থায়ী পশুর হাট। ইতোমধ্যে ২ সিটি করপোরেশন এসব হাটের স্থান নির্ধারণ করেছে। এরমধ্যে দক্ষিণে ১৩ এবং উত্তরে বসবে ৯টি হাট। ঈদের প্রায় দেড় মাসেরও বেশি সময় বাকি থাকায় এখনও ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছে উভয় সিটি করপোরেশন।

 রাজধানীর একমাত্র স্থায়ী পশুর হাট-গাবতলীতে। সারা বছর এই হাটের বেচা-বিক্রি চললেও কোরবানির ঈদে বিক্রি বেড়ে যায় কয়েক'গুণ। তবে ঈদের চাহিদা মেটাতে শুধু গাবতলী হাট পর্যাপ্ত নয় বলে প্রতি বছর রাজধানীতে বসে বেশ কিছু অস্থায়ী পশু হাট।

এবার উত্তর সিটি করপোরেশেন গাবতলী বাদে আরও ৯টি হাটের স্থান নির্ধারণ করেছে। এরমধ্যে প্রথম বারের মতো হাট বসবে তেজগাঁও পলিটেকনিক মাঠ ও উত্তরখানের ময়নারটেক মাঠে। বাকি ৭টি হাট বসছে উত্তরা ১৫, খিলক্ষেত, আশিয়ান সিটি, ভাটারা, বসিলা, মিরপুর ডিওএইচএস ও মিরপুর ৬ নাম্বারে। এছাড়া গতবার ছিল কিন্তু এবার হাট থাকছে না আফতারনগর ও বসুন্ধরার ৩শ ফিটে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘বাড্ডার হাটটি আমরা বাদ দিয়েছি জায়গা না পাওয়ার কারণে।’

অন্যদিকে গতবারের মতো এবারও দক্ষিণে বসছে ১৩টি হাট। এগুলো হলো কমলাপুর বালুর মাঠ, মেরাদিয়া, উত্তর শাহজাহানপুর, কমলাপুর স্টেডিয়ামের পাশের খালি জায়গা, ঝিগাতলা, রহমতগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, আমরানিটোলা, ধূপখোলা, পোস্তগোলা, দনিয়া কলেজ, শ্যামপুর এবং ধোলাইখাল। ঈদের এখনও যেহেতু অনেক সময় বাকি, তাই নির্ধারিত স্থানগুলোর ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা নিয়ে তাড়াহুড়ো নেই কর্তৃপক্ষের।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, তিনটা সিডিউল করে রেখেছি। যাতে করে দ্রুত সময়ের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারি।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, নির্ধারিত স্থানের বাইরে যাতে রাস্তার ওপর হাট বসতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে সবাইকে। অবশ্য এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে দুই সিটি কর্তৃপক্ষ।

নগর পরিকল্পনাবিদ আকতার মাহমুদ বলেন, ‘কোনোভাবেই যেন রাস্তায় পশুর হাট না বসে। ইন্টারনেটে মার্কেট তৈরি হয়েছে। মানুষ নেটেই গরু দেখছে এবং কিনছে। এটা হলে মাঠে যে হাটগুলো হয় তার ওপর চাপ কমে আসে।’

হাট উপলক্ষে কেউ যাতে চাঁদাবাজির সুযোগ নিতে না পারে সে লক্ষে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সহায়তা চাইবে দুই সিটি করপোরেশন।

এসএম