চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করার দাবীতে দাবিতে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন পালন করছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ।

গড় আয়ু ও কর্মক্ষমতা বাড়ার যুক্তিতে সরকারি চাকরিতে অবসরের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। দেশের শিক্ষিত বেকার তরুণদের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য।

এ কারণে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার ‘যৌক্তিক ও ন্যায়সংগত’ বলে মনে করেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সদস্যরা।

চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনকারী বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের সভাপতি সঞ্জয় কুমার দাস বলেন, সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে বেসরকারি ব্যাংকসহ বহুজাতিক কোম্পানিগুলোও ৩০ বছরের বেশি বয়সীদের নিয়োগ দেয় না। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রেও একই নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অবসরের বয়স বৃদ্ধির কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের বিশাল ক্ষতি হয়েছে। কেননা, উপরের দিকে পদ খালি না হলে চাকরিতে প্রবেশের পদ শূন্য হয় না। নিয়োগও থমকে যায়।

সেই ক্ষতি পোষাতেই ৩৫ বছর করতে হবে।এটা এখন গণদাবী। আর না হলে তিনি হুমকি দিয়ে বলেন আমাদের এই আন্দোলন আরো তীব্রতর হবে।

আন্দোলনকারী বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের আরেক যুগ্ন আহ্বায়ক শিহাব বলেন, এটা একটা যৌক্তিক দাবী,এই দাবী বাস্তবায়ন না করলে তরুণ সমাজের মাঝে হতাশা সৃষ্টি হবে,যার ফলে যুব সমাজ নানা অপরাধ জগতে পা, দিবে।

যা দেশের জন্য মঙল জনক নয়।তাই এ দাবী নির্বাচনের আগে অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।অন্যতায় রাজ পথে সমাধান, হবে বলে হুশিয়ার করেন।

এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন যগ্ন আহ্বায়ক হারুন,নাজমুননাহার জুমা,শাকিব,মিলন,পারভেজ,তারেখ,প্রমুখ। এএস