কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘পুষ্টি ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে বছরব্যাপী ফল উৎপাদনসহ নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করতে হবে।

ফলের চাষ বাড়িয়ে বিদেশি ফলের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। দেশি ও রপ্তানিযোগ্য ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে হবে।’

রোববার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে খামারবাড়িতে ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন’ প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘এ দেশের ঐতিহ্যবাহী ও বিলুপ্তপ্রায় ফলগুলোকে হারিয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষার জন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করলেও উদ্যান ফসল উৎপাদনে এখনও পিছিয়ে।

এ কারণে পাহাড়ি ও উপকূলীয় জমিতে ফলের গাছ রোপণ ও বসতভিটাকে উদ্যান ফসলের আওতায় আনতে হবে।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারা বছর ফল চাষ হলে রাসায়নিকমুক্ত নিরাপদ ফলের আড়ৎসহ স্থানীয় বাজার গড়ে উঠবে এবং দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।’

তিনি জানান, দেশের সাত বিভাগের ৪৫ জেলার ৩৬২টি উপজেলায় এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ৬০টি হর্টিকালচার সেন্টারের আওতাধীন উদ্যান ফসল উৎপাদনের জন্য অধিক উপযোগী এলাকা প্রকল্প হিসেবে নির্বাচন করা হয়। পার্বত্য ও দক্ষিণাঞ্চলীয় পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যান্য জেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্পের পরিচিতি উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. মেহেদী মাসুদ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সচিব শ্যামল কান্তি ঘোষ ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোশারফ হোসেন।

এসএইচ