পিরোজপুরের কাউখালির কচা নদীর জাহাজ থেকে ডিজেল পাচারকালে ২০ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এসময় চোরাই হওয়া ১৭ ড্রাম ভর্তি ডিজেল তেল উদ্ধার ও চোরাই কাজে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার আটক করা হয়।
বুধবার রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর কোস্টগার্ড জেটিতে জাহাজসহ আটককৃত ব্যক্তিদের নিয়ে আসা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, তেল চোরাই চক্রের সদস্য কাউখালী কচুয়াকাঠি গ্রামের আনছার উদ্দিন ও মো. জাহাঙ্গীর, দাসেরকাঠি গ্রামের আ. সালাম, কুমিয়ান গ্রামের মো. ফারুক এবং জাহাজের স্টাফ শহীদুল ইসলাম, মো. শফি, মো. রাজু, মো. মহসীন, নূরে আলম, জিয়াউর রহমান, মো. সাঈদ, আ. সামাদ, সেকান্দার ভূইয়া, দিদারুল ইসলাম, মো. শাহীন, মো. নাসিরউদ্দিন, মো. সুমন, মো. ফারুক, মো. শাহীদুজ্জামান ও মাসুদুর রহমান।
বৃহস্পতিবার সকালে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের স্টাফ অফিসার লে. ইফতেখার হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় কচা নদীর কাউখালীতে লঞ্চে অবস্থান নেয় কোস্টগার্ডের একটি দল।
এমটি রাশেদ এন্টারপ্রাইজ নামের জাহাজটি থেকে তেল পাচার শুরু হলে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়।কিন্তু এত বড় জাহাজ পরিচালনা কঠিন হওয়ায় কোস্টগার্ড জাহাজের স্টাফ শহীদুল ইসলাম, মো. রাজু, মো. ফারুক ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেয়।
আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বরিশালে কোতোয়ালি থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান কোস্টগার্ড।
চট্টগ্রাম থেকে খুলনাগামী এমটি রাশেদ এন্টারপ্রাইজ নামের জাহাজটিতে ১৬ লাখ ৭৩ হাজার লিটার ডিজেল ছিল।
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





