নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার চাষিরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামে গত সোমবার হিজবুত তাওহিদকর্মীদের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনাইমুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ছায়েদ মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৪-৫ হাজার লোককে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী হানিফুল ইসলাম মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলায় সোমবার সকাল থেকে পোরকরা গ্রাম, চাষিরহাট বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা ও হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
অজ্ঞাতনামা আসামিদের মধ্যে গ্রামবাসী ও হিজবুত তাওহিদের অনুসারী রয়েছে বলে জানান তিনি। তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফ পিপিএম বুধবার বলেন, হামলার পরিকল্পনাকারী, মদদদাতা ও প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উত্তেজিত জনতার আড়ালে দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে কোনো বিশেষ দলের লোকজন এই তাণ্ডবের সাথে জড়িত কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঘটনার সাথে জামায়াত-শিবির ও হেফাজতে ইসলামের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সময় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকাও বিচার-বিশ্লেষণ করে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এসপি।
চাষিরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামে হিযবুত তাওহিদকর্মীদের মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ২ হিজবুত তাওহিদ অনুসারী ও এক গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। আহত হয় পুলিশসহ দুই শতাধিক মানুষ। এ সময় বাড়ি-ঘর, দোকান-পাঠ, ব্যাংক, যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ওএফ





