সিরাজগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। জেলা জুড়ে নদী তীরবর্তী অঞ্চলে যমুনার ভাঙন অব্যহত রয়েছে। বন্যার পানিতে জেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যায় সিরাজগঞ্জ জেলার দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় দুই লক্ষাধিক মানুষ এখন পানিবন্দী।

যমুনা নদীর পানি তেমন না বাড়লেও শুক্রবার সকালে তা বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে পানি গত ২৪ ঘণ্টায় দুই সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে গত ১২ ঘণ্টায় পানি বৃদ্ধি না পেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।

 কাজিপুর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নেই অন্তত লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। কাজিপুরের মেঘাই-সোনামুখী আঞ্চলিক সড়কের ধারে বন্যার পানি স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে।নদীর পানি আর সামান্য বাড়লেই এই সড়কে পানি উঠতে পারে বলে এলাকাবাসী জানায়। এই সড়কে পানি উঠলে কাজিপুর থেকে বগুড়া যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যা কবলিত মানুষ তাদের সাধারন কাজকর্ম না করতে না পারায় কষ্টে জীবন যাপন করছে। বিশেষ করে ব্রক্ষ্মপূত্র বাঁধের ওপর আশ্রয় নেয়া মানুষ এখন বেশি কষ্টে রয়েছে। খাবার ও পানির অভাবের পাশাপাশি গবাদি পশু নিয়ে কোনো রকম তারা জীবন যাপন করছে। এখন পর্যন্ত তাদের কাছে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছেনি বলে অভিযোগ করেছে বন্যা কবলিত মানুষ।

ঢাকা, ২২ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেইউ