চট্রগ্রামের খাগড়াছড়িতে প্রশিক্ষন চলাকালে গ্রেনেড বিস্ফোরণে নিহত বিজিবি সদস্য হাসানুর রহমান সিকদারের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

এর আগে সকাল ৭টায় খাগড়াছড়ি বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার আজিজের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল অ্যাম্বুলেন্সে করে বিজিবি সদস্য হাসানুর রহমান সিকদারের লাশ গ্রামের বাড়ী কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিন ফুকরা গ্রামে নিয়ে আসেন। এ সময় তার লাশ দেখে স্ত্রী ও মেয়েসহ গ্রামবাসী কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।

রোববার রাতে খাগড়াছড়ি বিজিবি ক্যাম্পে হাসানুর রহমান সিকদারের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লাশ গ্রামের বাড়ীতে আসার পর সকাল সাড়ে ১০টায় বাড়ীর উঠানে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতশত গ্রামবাসী অংশ নেন।

বাবা-মায়ের ৬ সন্তানের মধ্যে হাসান দ্বিতীয়। ১৯৯২ সালে তিনি বিজিবিতে যোগ দেন। স্ত্রী আর একমাত্র কন্যা সন্তান থাকেন জেলা সদরের মিয়াপাড়ায় ভাড়া বাসায়।

রোববার বার্ষিক গ্রেনেড অনুশীলনে অংশ নিয়েছিলেন বিজিবি সদস্য হাসানুর রহমান সিকদার। অনুশীলনে চলাকালে অসাবধানতাবশত গ্রেনেডের ফায়ার পিন খোলার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অনুশীলনে হাসানুর রহমান সিকদার নিহত হন।

জেআই