সিলেট নগরীর কুমারপাড়ায় শনিবার রাতে ছাত্রদলের এক পক্ষের গুলিতে ফয়জুর রহমান রাজু নামে সাবেক এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন।

নিহত রাজু সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক ছিলেন। তিনি নগরীর উপশহর ‘এ’ ব্লকের ৯ নম্বর রোডের ১২ নম্বর বাসার বাসিন্দা ফজর আলীর পুত্র বলে জানা গেছে।

আরিফের বিজয় মিছিল শেষে তার বাসা থেকে ফেরার পথে কুমারপাড়া রাস্তায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে রাজুর সাথে থাকা আরো দুই ছাত্রদল নেতা আহত হয়েছেন। তাদের একজনের নাম উজ্জল।

সূত্রে জানা যায়, সিসিকের মেয়র হিসেবে আরিফুল হক চৌধুরী পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ আরিফের গাড়ির বহরের সাথে মোটর সাইকেলযোগে নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় তার বাসায় যান ছাত্রদল কর্মী উজ্জ্বল, রাজুসহ তিনজন। আরিফুল হককে বাসায় পৌছে দিয়ে তিনজন একই মোটরসাইকেলে করে ফিরছিলেন।

গলির ভেতর থেকে কুমারপাড়া পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় আসা মাত্র শাহী ঈদগাহর দিক থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেলে কিছু যুবক এসে তাদের উপর হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীরা স্টাম্প, দা সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের উপর হামলা করে। তখন এক যুবক সেখানে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে। এ ঘটনায় উল্লিখিত ৩ জন আহত হন। তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে রাজুর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে আরেকটি সূত্র থেকে জানা যায়, মেয়র পদে বিজয়ী আরিফুল হক চৌধুরীকে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেরুনোর পর বিজয় মিছিল বের করেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি কুমারপাড়া গিয়ে পৌঁছুলে নিজ বাসভবনে চলে যান আরিফুল হক চৌধুরী। এরপর কমিটি নিয়ে বাকবিতণ্ডার জের ধরে আরিফের বাসার সামনের সড়কে হত্যাকাণ্ড ঘটে।

এ বিষয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জেড