মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা-নির্যাতন-ধর্ষণের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে গত ২৫ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় সোয়া ৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর ত্রাণ বণ্টনে সরকার সেনাবাহিনীর সহায়তা চেয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম।
মন্ত্রী বলেন, রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর ২৫ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিবন্ধিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গার সংখ্যা ৪ লাখ ২৪ হাজার। এটা বিপুল সংখ্যা। তারা প্রতিনিয়ত স্থান পরিবর্তন এবং বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করায় প্রকৃত সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। এ পর্যন্ত বায়োমেট্রিক নিবন্ধনের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৫৭৫ জন।
মন্ত্রী বলেন, “বরাবর বিপদে পড়লে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়। সেই বিবেচনায় এবারও রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বণ্টনের জন্য সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আমরা নিজেরা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ দিচ্ছি। কিছু নিয়মকানুন মেনে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাওয়া হয়। এ কারণে হয়তো একটু বিলম্ব হয়েছে।”
“বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এখন ত্রাণ আসছে। এসব ত্রাণ গ্রহণ, বণ্টন ও ব্যবস্থাপনার কাজে সেনাবাহিনী সহায়তা করবে। তাঁরা অবকাঠামো উন্নয়নেও সহযোগিতা করবেন”, যোগ করেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।
মুস্তাঈন





