মেশিন রেডিবেল হওয়ার পরও বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পাসপোর্ট করতে আসা সাধারণ মানুষের হয়রানি কমছে না। বাড়তি টাকা না দিলে কিংবা দালাল ধরে না গেলে দুর্ব্যবহারসহ পাসপোর্ট পাওয়াই দুরুহ হয়ে পড়ে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্তমান সিস্টেমে পাসপোর্ট করতে দালালের কোনো ভূমিকা নেই। সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার কারণেই সমস্যা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে আসা অধিকাংশ সাধারণ নাগরিকের অভিযোগ এখানে কর্মরত কর্মকর্তারা প্রায়ই তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। সেই সাথে রয়েছে দালালদের দৌরাত্ম্য। একমাত্র দালালের মাধ্যমে আসলেই যাবতীয় কাজ দ্রুত এবং সহজে করা সম্ভব হয়। তা না হলে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।
এদিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিস পরিচালক ফজলুল হক জানান, অজ্ঞতার কারণে সাধারণ মানুষ এখনও দালাল দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করেন। এছাড়া অদক্ষতার কারণে অনেকে পাসপোর্ট ফরম পূরণে নানা ধরণের ভুল করেন।
পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে। টাকা ছাড়া পুলিশ ভেরিফিকেশন না পাওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
তবে জেলা পুলিশ সুপার এ কে এম হাফিজ আকতার বলছেন, হয়রানীর অভিযোগ পেলেই অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
৩২ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন গড়ে ৫'শর বেশি পাসপোর্টের আবেদন জমা পড়ে। আর গড়ে প্রতিদিন পাসপোর্ট ডেলিভারি হয় সাড়ে ৩'শ।
জেআই





