রাজধানীর ধানমণ্ডি খেলার মাঠ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে সিটি কর্পোরেশন(দক্ষিণ)। বৃহস্পতিবার সিটি কর্পোরেশনের নোটিস ঝুলিয়ে মাঠটি সবার জন্য উন্মুক্ত বলে জানানো হয়।
সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বলেন, “কিছুদিন ধরে মাঠটি নিয়ে ঝামেলা চলছিল। যেহেতু মাঠটি সিটি কর্পোরেশনের, তাই জটিলতা এড়াতে এটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।”
এর আগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষকে ধানমন্ডি মাঠ উন্মুক্ত করে দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দেন।
ধানমণ্ডি ৮ নম্বরে গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন মাঠটি একসময় সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। তবে ২০০৯ সালে ধানমণ্ডি ক্লাবের নাম পরিবর্তন করে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব লিমিটেড করার পর মাঠটি ঘিরে দেওয়া হয়। দু'বছর ধরে মাঠে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে থাকা ওই মাঠে গত মার্চে দুটি ব্যাডমিন্টন কোর্ট, দুটি টেনিস কোর্ট ও একটি বাস্কেটবল কোর্ট নির্মাণ শুরু হয়। নির্মাণকাজ করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
রাজধানীর ধানমণ্ডির খেলার মাঠ জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ১৯ এপ্রিল মামলা করে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ওই দিন সকালে আন্দোলনকারীরা মাঠে ঢুকে সমাবেশ করার পর দুপুরে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান ফটক ভেঙে মাঠে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে এ মামলা করেন। মামলায় স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, স্থপতি ইকবাল হাবিব, সালমা এ সফি, কামরুন্নাহারের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০ জনকে আসামি করা হয়।
খেলার মাঠে প্রবেশের অভিযোগে করা মামলায় বুধবার জামিন পান স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, স্থপতি ইকবাল হাবিব, স্থপতি সালমা এ সফি ও বাংলাদেশ উইমেন্স স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুন্নাহার।
গতকাল সকালে তাঁরা ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম এম এ সালাম তাঁদের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
[b]ঢাকা, ২৪ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
জাতীয়
ধানমণ্ডি খেলার মাঠ সবার জন্য উন্মুক্ত
রাজধানীর ধানমণ্ডি খেলার মাঠ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে সিটি কর্পোরেশন(দক্ষিণ)। বৃহস্পতিবার সিটি কর্পোরেশনের নোটিস ঝুলিয়ে মাঠটি সবার জন্য উন্মুক্ত বলে জানানো হয়। সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় বলেন





