স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ২১ কোটি টিকার ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশে এসব টিকা আসবে।
শনিবার ‘কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধ, অক্সিজেন সংকট, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, “আমরা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ৩ কোটি টিকার জন্য চুক্তি করেছিলাম। সেখান থেকে আমরা মাত্র ৭০ লাখ ও উপহার হিসেবে ৩০ লাখ; মোট ১ কোটি টিকা পেয়েছি। চুক্তি অনুযায়ী আজও ভারত আমাদের টিকা দেয়নি। ফলে আমরা বসে না থেকে অন্যান্য সোর্সের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এতে আমরা সফল হয়েছি।”
টিকার প্রতিশ্রুতির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে আমরা ২১ কোটি টিকার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। এর মধ্যে ৩ কোটি চায়না, ৩ কোটি অ্যাস্ট্রোজেনেকা, ৭ কোটি কোভ্যাক্স, ১ কোটি রাশিয়ার স্পুটনিক এবং ৭ কোটি আসবে জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা। এগুলো দিলে আমাদের ৮০ শতাংশ মানুষ কাভার হয়ে যাবে। যদি এগুলো আমরা সময়মতো পাই, তাহলে বাংলাদেশ কোনো দেশ থেকে পিছিয়ে থাকবে না।
বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ) ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। বিপিএমসির সভাপতি এম এ মুবিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।
এমবি





