অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন, ‘মুনাফাখোরদের নয়, সরকারকে দেশ ও জনগণের স্বার্থের কথা ভাবতে হবে। মুনাফার লোভে সম্পদ ও পরিবেশবিনাশী কোনো প্রকল্প দিয়ে হাজার হাজার বছরের অনন্য সুন্দরবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া যাবে না।’
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর গবেষণা কেন্দ্রের মোকাররম ভবনে ‘বিতর্কিত ইআইএ’র ভিত্তিতে তৈরি রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবন ধ্বংস করবে; সুন্দরবন ধ্বংস করে বিদ্যুৎ চাই না; আমরা বিদ্যুৎ চাই, সুন্দরবনও চাই!’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, ‘মুনাফার লোভে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তাদের দরকারে অনেক অপচেষ্টা চালাতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের চেয়ে মুনাফার দিকে বেশি লোভ থাকতে পারে। তবে হাজার হাজার বছরের পরিপূর্ণতায় যে অনন্য সুন্দরবন তৈরি হয়েছে, তাকে সম্পদ ও পরিবেশবিনাশী কোনো কর্মকাণ্ড দিয়ে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে দেওয়া যাবে না।’
নাগরিক সংলাপে বক্তব্য দেন, সৈয়দ আবুল মকসুদ, অধ্যাপক মো. আবুল বাশার, অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক এম শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অধ্যাপক শফিক উজ জামান, ডা. মো. আব্দুল মতিন, রুহিন হোসেন প্রিন্স প্রমুখ। মুল বক্তব্য দেন অধ্যাপক বদরুল ইমাম।
অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেন, ‘সুন্দরবন তার জীবনের সর্বোচ্চ সংকটকাল অতিবাহিত করছে। বিভিন্ন গবেষণা ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ হয়েছে যে, সুন্দরবনের পাশে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হলে এটা শুধু এ এলাকা নয়, সারাদেশেই এর প্রভাব পড়বে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য যে ইআইএ রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে তা বিতর্কিত। যে কোনো বিচারে এটি একপেশে, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
এআইজে





