খুলে দেওয়া হলো দেশের চতুর্থ ও ত্রিপুরা রাজ্যে দ্বিতীয় সীমান্ত হাট কসবা সীমান্ত হাট।

৬ জুন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে খুলে দেওয়া হলো ওই সীমান্তের কমলা সাগরদীঘির উত্তরপাড়ের ২০৩৯ নম্বর পিলার সংলগ্ন তারাপুর এলাকার বর্ডার হাট।

ত্রিপুরার সিপাহীজলা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় বিদুৎ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে কমলাসাগর-তারাপুর হাটের প্রথম হাটবারের শুভ সূচনা করা হয়।

ত্রিপুরা রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এম নাগারাজুর সভাপতিত্বে সূচনা অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিপাহীজলা জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী, সিপাহীজলা জেলার সভাধিপতি ফখরুদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ডি কে চাকমা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমা বেগম, কসবা উপজেলার চেয়ারম্যান আনিসুল হক ভূঁইয়া।

বাংলাদেশের ৬৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ ও ভারতের ৬৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমিতে ৩০টি করে ৬০টি দোকানঘর নির্মাণ করা হয়। সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের ৩০ জন ও ভারতের ৩০ জন ব্যবসায়ী নির্ধারিত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এ হাটের কার্যক্রম চলবে।

জেআই