স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, প্রকৃত অর্থে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বাড়েনি। বর্ধিত যে পাঁচ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়েছে, তা চলে যাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে। তারপরও সীমিত বাজেট নিয়ে অধিকতর ভালো সেবা দিতে চেষ্টা করবো।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন ভবনে (বিএমএ) আজ দুপুরে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) উদ্যোগে আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আগামী অর্থ বছরের জন্য বরাদ্দ করা বাজেট নিজে আমি নিজেও ক্ষুব্ধ। আমি চেষ্টা করেও বাজেট বাড়াতে পারিনি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএমএ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো: নুরুল হক, বিএমএ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান। সভাপতিত্ব করেন বিএইচআরএফ’র সভাপতি তৌফিক মারুফ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বেশি করে বাজেট বরাদ্দের কথা বললে বিদেশী সাহায্যের কথা বলা হয়। বিদেশী সাহায্যে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় না ওদের অনেক বেশি শর্তের কারণে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্যসেবার মান সম্পর্কে তিনি বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে সেবার মান বেড়েছে আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে আগের মতোই রয়েছে। তিনি বলেন, এটা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পরিচালকের মানসিকতার বিষয়। তারা এ ব্যাপারে একটু নজর দিলেই হয়।

বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেকটা বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে পরিদর্শনে যাবো পৃথক পৃথকভাবে। পরিদর্শনের রিপোর্টের আলোকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা শিগগিরই আড়াই শ' এনাসথেশিয়ার বিশেষজ্ঞ বানাবো উপজেলায় পাঠানোর জন্য, যেন সেখানে অপারেশন হয়। ওষুধ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা বিদেশে ওষুধ রফতানি করছি। কিন্তু কিছু কোম্পানির কারণে আমাদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। ইতোমধ্যে মানহীন ওষুধ তৈরির অভিযোগে ২১ কোম্পানি বন্ধ করে দিয়েছি।

এমআইএস