যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের বাগুড়িয়া গ্রামে পুলিশের সাথে সন্ত্রাসীর বন্দুক যুদ্ধে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাবলুর ভাই আলতাফ বাহিনীর সেকেন্ড কমান্ড খোড়া কামরুল গুলি বিদ্ধ হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে এই বন্দুক যুদ্ধে হয় ।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে তিন সন্ত্রাসীকে আটক এবং একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। আহত সন্ত্রাসীকে চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে। আটককৃতরা সকলে আ,লীগ নেতা, কর্মী বলে জানা গেছে।

গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসী কামরুল যশোরের খড়কি গ্রামের আজিজের ছেলে। অস্থায়ী ভাবে সে শার্শার বাগআচড়া এলাকায় বসবাস করতো।

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, পুলিশের কাছে গোঁপন খবর আসে শার্শার বাগুড়িয়া গ্রামে মোয়াজ্জেমের বাড়িতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য সাবেক চেয়াম্যান বাবলুর ভাই আলতাফ বাহিনীর সেকেন্ড কমান্ড যশোরের খড়কি গ্রামের আজিজুরের ছেলে খোড়া কামরুল, শার্শার পাচকায়বা গ্রামের আসানুরের ছেলে আ,লীগ কর্মী মোস্তফা (৩০), শার্শার কায়বা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাবলুর ছেলে রাড়ীপুকুর গ্রামের ছাত্রলীগ নেতা চঞ্চল(২৫), বাবর আলীর ছেলে শাহিন, তফসেরের ছেলে রাজু, ইউনুচের ছেলে মনিরুল, আমিনুরের ছেলে জুয়েল,খোকনের ছেলে শহিদুজ্জামান ও ওহেদের ছেলে মনিরুল গোঁপন বৈঠক করছে।

এসময় পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে আত্মরক্ষার্তে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে পুলিশের গুলিতে কামরুল নামে এক সন্ত্রাসী আহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও এক রাউন্ড গুলিসহ চঞ্চল ও মোস্তফাকে আটক করে।

শার্শার বাঁগআচড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক(এসআই) হাবিবুর রহমান জানান, আটক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে এলাকায় চোরাচালান, চাঁদাবাজিসহ একাধিক সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আরো একটি মামলা হয়েছে । অভিযুক্ত অন্যান্যদের ব্যাপারে খোজ খবর নেওয়া হচ্ছে। গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসীকে চিকিৎসা শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানান তিনি।

এমবি