ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সিরাজগঞ্জে প্রতিমাশিল্পী, পূজা উদ্‌যাপন কমিটি ও প্যান্ডেল-মঞ্চের কারিগররা। মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে পূজাপূর্ব আনুষ্ঠানিক সভা। কারিগররা প্রতিমার কাঠামোতে মাটি লাগাচ্ছেন। এ সপ্তাহেই রংতুলির কাজ শুরু হবে।

সিরাজগঞ্জ শহরের মহাপ্রভূর আখড়া, কালীবাড়ী গোবিন্দ মন্দির, স্টেশন রোডের কালিমাতা মন্দির, মাড়োয়ারীপট্টি মন্দির, বানিয়াপট্টি কালিমাতা মন্দির, ফড়িয়াপট্টি কালিমাতা মন্দির, গোশালা কালিমাতা মন্দির, বাহিরগোলা কালিমাতা মন্দির প্রাঙ্গণসহ সদর উপজেলার ৭৩টি পূজামণ্ডপে এখন সারি সারি সাজানো হচ্ছে নানা আকার আর ঢংয়ে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ আর মহিষাসুর- সঙ্গে দেবীর বাহন সিংহকে।

এ বছর জেলার সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় ৭৩, উল্লাপাড়া উপজেলায় ৯০, শাহজাদপুর উপজেলায় ৮৩, কাজীপুর উপজেলায় ১৫, চৌহালী-এনায়েতপুরে ১৪, কামারখন্দ উপজেলায় ১৫, বেলকুচি উপজেলায় ৪৮, রায়গঞ্জ উপজেলায় ৭০টি, তাড়াশ উপজেলায় ৪১টি পূজামণ্ডপ তৈরি হচ্ছে বলে পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতারা জানান।

মৃৎশিল্পী প্রদীপ পাল জানান, রাতদিন জেগে কঠোর পরিশ্রম করে তিনি ও তার সহযোগীরা এ প্রতীমাগুলো নির্মাণ করছেন।

এদিকে দুর্গাপূজায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করায় পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার কানু জানান, আশা করছি প্রতি বছরের মতো এবারও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে।

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই