জামায়াতের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে যৌথবাহিনী। শহরের ভেতরে-বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে বিজিবি ও র্যাবের টহল।
শনিবার রাতেই জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় কার্যকর করা হতে পারে এমন আভাস পাওয়ার পরপরই বগুড়া শহরে অভিযানে নেমেছে যৌথ বাহিনী।
বিকেল ৩টার পর থেকে জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় অভিযান চালাচ্ছে তারা। ইতোমধ্যেই শিবির অধ্যুষিত জামিলনগর, মালগ্রাম ও কলোনী এলাকায় কয়েক দফা অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনীর সদস্যরা।
তবে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার জানিয়েছেন, এখনো জামায়াত-শিবিরের কোন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি যৌথবাহিনী।
জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান জানান, কামারুজ্জামানের ফাঁসিকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবির যাতে কোনো ধরনের নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শহরের ভেতরে ও বাইরে প্রায় এক হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়া ৪ প্লাটুন বিজিবি ও র্যাব সদস্য নিয়মিত টহল দিচ্ছে। শহরের জামায়াত-শিবির অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে দফায় দফায় অভিযান চলছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
জেআই





