জাদুকরী বা সম্মোহনী কোন শক্তি ব্যবহার হয়নি। ঘটনায় নেই, তবুও আছে মামলায়। এক-দু’জন নয় একাধিক ব্যক্তির নামে।

গত (২২ জুন) শনিবার শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার নশাসন ইউনিয়ন সরদার কান্দির বাসিন্দা ইমরান হোসেন সরদার (৩৫) দুর্বৃত্তদের হামলায় রহস্য জনক ভাবে নিহত হয়। ওই ঘটনায় ইমরানের বোন রেশমা বেগম ৪৫ জনকে আসামি করে গত ২৪জুন নড়িয়ায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ঢাকায় নিজ কর্মস্থলে থেকে আসামি হন সাংবাদিক সোহাগ হাওলাদার।

আসামির তালিকা থেকে বাদ পড়েনি সাংবাদিক, স্কুল মাস্টার,সাধারন কৃষকসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা শরীয়তপুরের বাহিরের নিজ কর্মস্থল অবস্থানরত ব্যক্তিদের নামও।

মামলায় বাদি রেসমা এজহারে বলেন, গত (২২ জুন) শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে। পথ রোধ করে মাঝিরহাট নামক স্থানে মহাসড়কের কাছে কবরস্থানের পাশে পৌঁছালে তাকে (আসামীদের নাম উল্লেখ করে বলেন) কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ঘটনা ঘটেছে রাতের অন্ধকারে। কে বা কারা করেছে তা আমরা শুনিনি এবং দেখিওনি। তবে তিনি ইয়াবা, গাজা, ইভটিজিং, চুরিসহ নানান অপরাদের সাথে জড়িত ছিলেন এবং তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। 

মুঠোফোনে এ মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার নড়িয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা কালাম বলেন, অযথা কাউকে হয়রানি করা হবেনা।

সাংবাদিক সোহাগ হাওলাদার বলেন, ঈদের ছুটির পর আমি নিজ কর্মস্থল ঢাকায় চলে আসি। ঘটনার দিন আমি ঢাকাতে নিজ কর্মস্থলে ছিলাম। জানিনা কেন আমাকে মিথ্যা মামলার আসামি করা হলো। আশা করি তদন্ত প্রতিবেদনের পর মামলার চার্জশিটে আমার নাম অন্তভূক্ত থাকবে না। আমি চাই সঠিক তদন্ত হউক, আর দোষীদের শাস্তি হউক। নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানি না হয়।

এসএম