সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বহুল আলোচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার শুনানি আজ রোববার শুরু হচ্ছে।

শুনানিতে মামলার আসামি হরকাতুল জিহাদের শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গৌছকে হাজির করা হবে ।

তবে অসুস্থতার কারণে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র (বরখাস্ত) আরিফুল হক চৌধুরীকে আদালতে আজ আনা হচ্ছে না। অসুস্থতা এবং অন্য একটি মামলায় হাজিরার কারণে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকেও সিলেটে আনা হয়নি।

গত ১১ জুন হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ আলোচিত এই মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষে সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ জুন হবিগঞ্জ জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নিশাত সুলতানার আদালত থেকে মামলাটি হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছিল। আলোচিত এই হত্যা মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গৌছ ও মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী সাগর আহমদ জানান, সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় আটক ব্যক্তিদের আদালতে হাজিরের জন্য কারাগারে (পিডব্লিউ) পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেটের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জানান, কিবরিয়া হত্যা মামলার পূর্ব নির্ধারিত তারিখ আজ রোববার।

সিলেটের সিনিয়র জেল সুপার সগীর আহমদ জানান, আদালতে হাজির করার জন্য এরইমধ্যে হুজি’র শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নান ও হবিগঞ্জ পৌর মেয়র জি কে গৌছকে সিলেটে আনা হয়েছে। অসুস্থতা এবং অন্য মামলায় হাজিরার কারণে আরিফুল হক ও লুৎফুজ্জামান বাবরকে সিলেটে আনা হয়নি বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন কিবরিয়া। গ্রেনেড হামলার এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন।

ইআর