শনিবার (২৩ মে) এক বিবৃতিতে ইউনিসেফ এ উদ্বেগ জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা ও নির্মম নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
সংস্থাটি অপরাধীদের দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, প্রতিরোধ ব্যবস্থা, অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়া, শিশুবান্ধব পুলিশিং এবং বিচারব্যবস্থায় বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এসব দুর্বলতা দ্রুত দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে স্কুল, মাদরাসা, কর্মক্ষেত্র ও কমিউনিটি পর্যায়ে শিশু সুরক্ষা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।
সংস্থাটি আরও সতর্ক করে বলেছে, নির্যাতনের শিকার শিশু ও নারীদের ছবি, ভিডিও বা ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া এক ধরনের “দ্বিতীয় নির্যাতন”, যা ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেয়।
ইউনিসেফ গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী এবং সাধারণ মানুষকে ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি সহায়তার প্রয়োজনে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮–এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, প্রতিটি শিশু বাড়ি, স্কুল, কমিউনিটি ও সমাজের সব জায়গায় পূর্ণ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রাখে।
এস