আগামী ২০১৫-১৬ সালের সম্ভাব্য ৩ লক্ষাধিক কোটি টাকার বাজেটে দেশের ৭৯% রপ্তানি আয় অর্জনকারী ৩৫ লক্ষ নারী শ্রমিক সহ ৪২ লক্ষ গামের্ন্টস শ্রমিকের জন্য ৬টি সু-নির্দিষ্ট খাতে বিশেষ বরাদ্ধের দাবিতে জাতীয় গামের্ন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ১৫মে দেশব্যাপি গামের্ন্টস শ্রমিক বাজেট বরাদ্ধ দাবি দিবস উপলক্ষে জাতীয় গার্মেন্টস ফেডারেশন আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এ দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘বর্তমান ২০১৫-১৫ অর্থ বছরের ২ লক্ষ ৫০ হাজার ৫শত ৬কোটি টাকার বাজেট চলছে। এবাজেটে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা ৭৯ ভাগ পূরণ করে ৩৫লক্ষ নারী শ্রমিক সহ ৪২ লক্ষ গামের্ন্টস শ্রমিকের জন্য কোন বরাদ্ধ না থাকায় গামের্ন্টস শ্রমিকরা ক্ষুদ্ধ।

তাই আগামী ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের সম্ভাব্য বাজেটের আকার দাড়াবে ৩ লক্ষাধিক কোটি টাকা। আগামী অর্থ বছরের সম্ভাব্য ৩ লক্ষাধিক কোটি টাকার বাজেটে প্রস্তাবিত দেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা ৭৯ ভাগ, যার পূরণকারি ৩৫ লক্ষ নারী শ্রমিক সহ ৪২ লক্ষ গামের্ন্টস শ্রমিক। তাই ৪২ লক্ষ গামের্ন্টস শ্রমিকের জীবন মান উন্নয়নে উল্লিখিত ৬টি খাতে বিষেশ বরাদ্ধ রাখা অত্যন্ত জরুরি।  

বক্তারা বলেন, দাবিকৃত ৬টি খাতের সমূদয় কাজ শুধু মাত্রসরকারী অর্থেই করতে হবে। বাংলাদেশের গামের্ন্টস শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে এগিয়ে আসা। সারা বিশ্বের বিভিন্ন দাতা সংস্থা, ভোক্তা এমনকি বায়ার-মালিকদেরকেও এ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োচনীয় কাজ সসম্পাদনের জন্য অবশ্যই ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাবে।                                                                          

মানবব্ধনে তাদের উত্তাপিত ৬দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, গামের্ন্টস শ্রমিকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করার জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্ধ থাকতে হবে।

গামর্ন্টেস শিল্প এলাকায় ‘গামের্ন্টস শ্রমিক কলোনি’ নির্মাণ করার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় বরাদ্ধ থাকতে হবে।

নারী শ্রমিকদের জন্য গামের্ন্টস অধ্যুষিত এলাকাসমূহে ‘নিরাপদ মাতৃত্ব কেন্দ্র’ স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় বরাদ্ধ থাকতে হবে।

মানববন্ধনে আমিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, ফেডরেশনের সাধারণ সম্পাদক মিস সাফিয়া পারভিন, কেন্দ্রীয় নেতা মিস নুরুন্নার, প্রমূখ।

এমএ/এসএইচ