বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে মন্ত্রী দেশের বর্তমান উন্নয়ন চিত্র ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, “কিছুদিন আগে পেট্রোল ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল, যা নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরাও সরব হয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহর রহমতে এখন আর পেট্রোলের লাইন নেই, বিদ্যুতের লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে। আমরা সরকারি ও বিরোধী দল মিলে কমিটি করে দেশটাকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস কাজ করছি।”

বক্তব্যের এক পর্যায়ে একাত্তরের উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, “একাত্তরের ২৫শে মার্চ যখন পুলিশ হত্যা করে বিভীষিকা তৈরি করা হয়েছিল, তখন মেজর জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা আমাদের উজ্জীবিত করেছিল। অন্যদিকে, গোলাম আযমসহ কিছু রাজনীতিবিদ টিক্কা খানের সঙ্গে বৈঠক করে বাঙালি দমনে সহায়তা করেছিলেন। এটি ইতিহাসের ধ্রুব সত্য।”

তিনি আরও যোগ করেন, “৭১ আমাদের গর্বের জায়গা। ৭১ না হলে আমরা আজ এই সংসদে বসতে পারতাম না, কেউ মন্ত্রী-এমপিও হতে পারতাম না। যারা ৪৭ নিয়ে কথা বলেন, তারা আসলে ৭১-কেও মানেননি।”

নতুন প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের প্রশংসা করে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “নাহিদের মতো তরুণরা যখন সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলে, তখন নিজের তরুণ বয়সের আন্দোলনের কথা মনে পড়ে।” তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন ভঙ্গুর অর্থনীতিকে উন্নয়নের মডেলে পরিণত করেছিলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বেও আমরা এই দেশটাকে নতুন বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব। তারেক রহমান যা বলেন, তা-ই করেন।”

এমএম