লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় ট্রেনের তেল চুরি করে বিক্রির প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা লালমনিরহাট হতে বুড়িমারী গামী ৪৫৫ আপ একটি ট্রেন আটকে দেয়। এ সময় ওই ট্রেনের চালক ও পরিচালককে হাতীবান্ধা স্টেশন মাস্টারের রুমে ঘণ্টাব্যাপী অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

ট্রেনের যাত্রীদের অভিযোগ, জেলার কাকিনা রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনটি দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় কয়েকজন যাত্রী ইঞ্জিনের কাছে গিয়ে দেখতে পায় চালক রাশেদুল ইসলাম মানিক ও পরিচালক মইনুল হকের উপস্থিতিতে ওই ট্রেনের তেল চুরি করা হচ্ছে। কামরুল ইসলাম নামে এক কলেজ ছাত্র ছবি তুলতে গেলে তার মোলাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে মারধোর করা হয়। পরে খবরটি সাধারণ যাত্রীদের মাঝে ছড়িয়ে পরলে পার্শ্ববর্তী হাতীবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনে বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রেনটি আটকিয়ে দেয় এবং চালক ও পরিচালককে অবরুদ্ধ করে রাখে।

হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) আব্দুল মতিন ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ সারওয়ার হায়াত খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে পরিবহন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এর সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, চালক ও পরিচালককে বরখাস্ত করা হবে।

লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে পরিবহন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এর প্রতিশ্রুতিতে রাত ১০টার দিকে ট্রেন ছেড়ে দেয়। পরিচালকের কাছে থাকা যাত্রী বইয়ে কামরুল ইসলাম লিখিত আভিযোগ করেন।

লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে পরিবহন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি ঊদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কেএইচ