দেশবরেণ্য কবি, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারকে আদাবর থানা থেকে তেজগাঁও ডিসির অফিসে নেয়া হয়েছে। এর আগে তাকে ঢাকার আদাবর থানায় আনা হয়েছিল।
আজ সকালে তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার জানিয়েছিলেন, থানার পক্ষ থেকে তাকে বলা হয়েছে, দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা আসার পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে সোমবার অপহরণের ১৮ ঘণ্টা পর যশোরের নোয়াপাড়া থেকে র্যাব উদ্ধার করে। সোমবার ভোর ৫টার পর তাকে বাসার সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। এর পর তিনি স্ত্রীর সাথে টেলিফোনে কয়েকবার কথা বলে জানান, অপহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসেবে তার কাছে ৩৫ লাখ টাকা দাবি করছে। তাকে হত্যা করা হবে বলেও তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।
দিনভর পরিবারসহ দেশবাসী উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় থাকার পর রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ র্যাব-৬ এর একটি টিম যশোরের নওয়াপাড়ার ভাঙ্গাগেট এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে খুলনার ফুলতলা থানায় নিয়ে যায়।
রাত দেড়টার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যান।
সোমবার ভোর ৫টার কিছুক্ষণ পর একটি ফোন পেয়ে তিনি ঢাকার শ্যামলীর ফ্যাট থেকে বের হয়ে গেটের সামনে যান। এরপর তিনি স্ত্রীকে ফোনে জানান যে, তাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং অপহরণকারীরা তার কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা দাবি করছে এবং তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।
ভারতে মুসলিম নিধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার ১৬ ঘণ্টা পরে অপহৃত হন ফরহাদ মজহার।
এমই





